Home

Home

Follow Google News

Follow Now

Join Whatsapp

Join

Share The Content

Share

Telegram Channel
প্রথম পাতা চাকরির খবর ট্রেন্ডিং নিউজ রেজাল্ট সরকারি প্রকল্প স্কলারশিপ

Income Tax Sending Letters: হঠাৎ আপনার নামে ইনকাম ট্যাক্সের চিঠি এলে কি করবেন? জেনে রাখুন কাজে আসবে

Advertisements
Advertisements

Income Tax Sending Letters: আমাদের ভারতবর্ষে কোটি কোটি মানুষের বসবাস। কর্মসংস্থান হিসেবে ব্যবসা বা চাকরি এই দুই নিয়েই মানুষ পড়ে আছেন। আর ব্যবসা বা চাকরির ক্ষেত্রে প্রয়োজন পরে একটি ব্যাংক একাউন্ট। যেখানে মানুষ ব্যবসার টাকা লেনদেন বা স্যালারি পেতে ব্যবহার করেন। তবে ব্যবসা ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় কারেন্ট একাউন্ট এবং স্যালারি পেতে ব্যবহার করা হয় স্যালারি একাউন্ট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছে যারা সেভিংস একাউন্ট এর মাধ্যমে ব্যবসার টাকা লেনদেন করে থাকেন। আগে জেনে নিতে হবে আপনার সেলারি বা ব্যবসার টাকা নিজের টাকা বলে যত খুশি টাকা ব্যাংকে জমা করা যায় না। আর ভুল করে সেই কাজ যদি করে ফেলেন তাহলেই ইনকাম ট্যাক্স বা আয়কর দপ্তরের চোখে পড়তে পারেন।

Advertisements

তাহলে মেন প্রসঙ্গে আসা যাক যে আয়কর দপ্তরে চিঠি বা নোটিশ আপনি কোন কোন কারণে পেতে পারেন? আর এই নোটিশ পাওয়ার পর আপনার করণীয় কি সবটাই রইল আজকের এই প্রতিবেদনে।

তবে জানা যাক যে ৫টি কারণে আয়কর দপ্তর নোটিশ পাঠাতে পারে। (5 Reasons For Income Tax Sending Letters)

১. ব্যাংকে প্রচুর পরিমাণে টাকা জমা করা

আমরা অনেকেই জানিনা যে ব্যাংকে কত টাকা একেবারে জমা করা যায় সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস (CBDT)-এর নিয়ম অনুযায়ী জানা গেছে, একজন ব্যক্তি যদি তার নির্দিষ্ট ব্যাংক একাউন্টে ১০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি এবং সেই অর্থবর্ষে ক্যাসে টাকা জমা করেন, তাহলে সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি ইনকাম ট্যাক্স দপ্তরের নোটিশ পেতেই পারেন।

তবে অনেকে আছেন চালাকি করে দু তিনটে একাউন্টে ভেঙ্গে ভেঙ্গে টাকা জমা করে দেন, তাতেও রয়েছে কিন্তু বিপদ। সব অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

২. ফিক্স ডিপোজিট তাও আবার ক্যাশ টাকা দিয়ে

বেশিরভাগ মানুষই ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট রয়েছে তবে ফিক্সড ডিপোজিটের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম কার্যকরী হয়। একই অর্থবর্ষে কোন ব্যক্তি ১০ লক্ষ টাকা কিংবা তার বেশি টাকা ক্যাশ জমা করে ফিক্সড ডিপোজিট করেন, সে ক্ষেত্রে টাকার উৎস জানতে চেয়ে নোটিশ পাঠাবে আয়কর দপ্তর।

৩. শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড বা বন্ড কেনাবেচা

অনেকেই আছেন যারা কিনা শেয়ার মার্কেট বা মিউচুয়াল ফান্ডে টাকা খাটায়। জেনে রাখা উচিত দশ লক্ষ বা তার বেশি টাকা দিয়ে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করলে নোটিশ পেতে পারেন আয়কর দপ্তরের।

৪. বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন

বর্তমানে অনেকেই আছেন যারা নিজেদের একাউন্টে বিদেশে টাকা-পয়সা লেনদেন করে থাকেন। এক্ষেত্রে একই নিয়ম ১০ লক্ষ টাকার সীমা পেরোলে আয়কর দপ্তরের নজরে পড়ে যাবেন।

৫. জায়গা জমি বা বাড়ি কেনাবেচা

অনেকেই আছেন যারা জায়গা বা বাড়ি বেঁচে দেন এবং নতুন জায়গা কেনেন। জেনে রাখুন, Money Laundering Act, 2002-এর ধারা নম্বর ১২ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি ৩০ লক্ষ বা তার বেশি ক্যাশ টাকা দিয়ে কোন বাড়ি বা জায়গা বিক্রি করেন বা বাড়ি কেনেন তাহলেও ইনকাম ট্যাক্স থেকে তিনি চিঠি পেতে পারেন।

আয়কর দপ্তরের নোটিশ বা চিঠি পাওয়ার পর কি করবেন? দেখে নিন

  1. আয়কর দপ্তরে নোটিশ পাঠানোর কারণ নির্ধারণ করতে হবে এবং সাবধানে নোটিশটি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  2. আপনার আয়কর রিটার্নে আলাদা আলাদা নোটিশ পাঠানো হয়েছে কিনা তা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করুন।
  3. ইনকাম ট্যাক্স বা আয়কর দপ্তরের পাঠানো যাবতীয় তথ্য যেমন সঠিক ব্যক্তির নাম, প্যান কার্ড নাম্বার, মোবাইল নম্বর, ইমেইল এইসব সঠিকভাবে মিলিয়ে দেখুন।
  4. আয়কর দপ্তরের নোটিশ এ জরিমানা এবং আইনি পদক্ষেপে এড়াতে, অবশ্যই আপনাকে চিঠি বা নোটিশে লেখা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
About Author
Riya Saha
Riya Saha

আমি রিয়া সাহা। গত পাঁচ বছর ধরে বিনোদন, লাইফ স্টাইল ও অ্যাস্ট্রো-সহ নানা বিভাগে কন্টেন্ট রাইটিং কাজের সঙ্গে আমি যুক্ত। লেখালেখির পাশাপাশি পড়াশোনার শখ আমার বরাবরই রয়েছে। প্রবন্ধের পাশাপাশি যে কোনও জেনারেল নিউজ লেখাতেও পারদর্শী। পাঠকদের সামনে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় ও গরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরাই আমার কাজ।